পুরো সিরিজ এক লবিতে
অনেক জায়গায় শুধু Reactoonz 1 পাবেন। আমাদের লবিতে Reactoonz, Reactoonz 2 সহ সিরিজের সব ভার্সন একই ফিল্টারে। আলাদা আলাদা সাইটে খোঁজার দরকার নেই।
Play'n GO-র Reactoonz সিরিজ আমাদের লবিতে সরাসরি পাওয়া যায় — Reactoonz, Reactoonz 2 আর Reactoonz সহ পুরো লাইনআপ। bKash বা Nagad দিয়ে ওয়ালেট ফিল করে ফোন থেকেই ঢুকে পড়ুন, আপনার এলাকার প্রযোজ্য আইন মেনে।
গেম চলাকালীন কোনো সমস্যায় পড়লে আমাদের সহায়তা দল আপনার পাশে আছে।
Reactoonz খেলার সময় যেসব সুবিধা পাচ্ছেন।
প্রচলিত পে-লাইনের বদলে ক্লাস্টার সিস্টেমে একই সিম্বল পাশাপাশি জমলে পে-আউট হয়। এতে একটা রাউন্ডে একাধিক ক্যাসকেড চেইন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে — গ্রিডের প্রতিটা কোণ কাজে লাগে।
চার্জ মিটারের সব লেভেল পূর্ণ হলে Gargantoon গ্রিডে নামে। ৩×৩ ওয়াইল্ড হিসেবে শুরু করে ধাপে ধাপে ভেঙে ছোট ওয়াইল্ডে পরিণত হয় — পুরো গ্রিডে ক্যাসকেডের ঝড় তোলে।
Reactoonz 2-তে দুটো মিটার একসাথে কাজ করে। Fluctometer ছোট ফিচার দেয়, Quantumeter বড় ফিচার। দুটো মিটার আলাদা হারে চার্জ হয়, তাই ফিচার ট্রিগারের ছন্দ ভিন্ন লাগে।
Reactoonz পুরোটা Play'n GO-র সার্ভারে চলে। গেমের ফলাফল তাদের র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর থেকে আসে — আমরা কোনো ফলাফল পরিবর্তন করি না। প্রভাইডারের মান যাচাই স্বাধীন অডিটরদের হাতে।
ডেমো মোডে বিনামূল্যে গ্রিড বুঝে নিন, তারপর আসল মোডে যান। দুটোর মধ্যে সুইচ করা এক ক্লিকের কাজ — আলাদা পেজে যেতে হয় না। ডেমো মোডে ফিচারগুলো আসল মোডের মতোই কাজ করে।
মোবাইলে ৭×৭ গ্রিড পোর্ট্রেট মোডে পুরো স্ক্রিনে দেখায়। সিম্বলগুলো স্পষ্ট, টাচে ট্যাপ করলে তথ্য বের হয়। ল্যান্ডস্কেপে ঘোরানোর দরকার হয় না — ফোন হাতে ধরে স্বাভাবিকভাবে খেলুন।
Reactoonz-এর ৭×৭ গ্রিড ফোনে পোর্ট্রেট মোডে স্ক্রিনে পুরোটা দেখা যায় — স্ক্রল করার দরকার পড়ে না। টাচে সিম্বলে ট্যাপ করলেই পে-টেবিল দেখায়, আলাদা মেনু খুলতে হয় না। আগে ডেস্কটপে খেলছিলেন? ফোনে লগইন করলে একই ব্যালেন্স, একই অ্যাকাউন্ট — কোনো ব্রেক নেই। বাসায় ওয়াইফাই বা বাইরে মোবাইল ডেটা, দুটোতেই গ্রিড লোড হয় চটপট। Nagad বা Rocket দিয়ে ওয়ালেটে টাকা ঢুকিয়ে সরাসরি লবি থেকে Reactoonz সিলেক্ট করুন। বারবার ফেরত আসা প্লেয়ারদের জন্য ব্রাউজারে হোম স্ক্রিনে শর্টকাট বানালে এক ট্যাপেই গেমে ঢোকা যায়।

নিচে কয়েকটা দিক তুলে ধরছি যেগুলোতে আমাদের Reactoonz অভিজ্ঞতা আলাদা।
অনেক জায়গায় শুধু Reactoonz 1 পাবেন। আমাদের লবিতে Reactoonz, Reactoonz 2 সহ সিরিজের সব ভার্সন একই ফিল্টারে। আলাদা আলাদা সাইটে খোঁজার দরকার নেই।
আমাদের এখানে bKash, Nagad বা Rocket দিয়ে সরাসরি ওয়ালেটে টাকা ঢোকান। ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক ট্রান্সফারের ঝামেলা নেই — যে ওয়ালেট রোজ ব্যবহার করেন সেটাই কাজ করে।
Reactoonz-এ আসল টাকা দেওয়ার আগে ডেমো মোডে ফিচার বুঝে নিন। অনেক প্ল্যাটফর্মে ডেমো মোড থাকে না বা রেজিস্ট্রেশন লাগে — আমাদের এখানে লগইন ছাড়াই ডেমো চালানো যায়।
৭×৭ গ্রিড ছোট স্ক্রিনে ঠিকমতো দেখানো সব সাইটে হয় না। আমাদের এখানে Play'n GO-র মোবাইল ভার্সন সরাসরি লোড হয় — গ্রিড স্ক্রিনে ফিট, সিম্বল স্পষ্ট।
প্রতিটা Reactoonz রাউন্ডের বিস্তারিত লগ অ্যাকাউন্টে থাকে। বেট, ফলাফল, সময় — সব। সমস্যা হলে রাউন্ড আইডি দিয়ে সহায়তায় জানান, ম্যানুয়ালি চেক হবে।
Reactoonz নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে বাংলায় লাইভ চ্যাটে লিখুন। ইংরেজি জানার বাধ্যবাধকতা নেই — আমাদের দল বাংলায় উত্তর দেয়।
ডেস্কটপে Reactoonz খেলে মাঝপথে ফোনে সুইচ করলে ব্যালেন্স আর গেম হিস্ট্রি একই থাকে। দুটো ডিভাইসে একসাথে লগইন করার দরকার নেই — যেকোনো একটাতে ঢুকুন।
Reactoonz মূলত ৭×৭ গ্রিডে চলে — প্রচলিত রিল ঘোরানো এখানে নেই। পাঁচটা বা তার বেশি একই সিম্বল পাশাপাশি জমলেই পে-আউট হয়, তারপর সেগুলো মুছে গিয়ে ওপর থেকে নতুন সিম্বল পড়ে। এটাই ক্যাসকেড মেকানিক্স। Play'n GO এই সিরিজে Gargantoon ফিচার রেখেছে — নির্দিষ্ট চার্জ মিটার পূর্ণ হলে একটা বিশাল ওয়াইল্ড সিম্বল গ্রিডে নামে, যেটা চারপাশের সিম্বল ভেঙে নতুন ক্লাস্টার তৈরি করে। Reactoonz 2-তে
Energoon যুক্ত হয়েছে — একটা ফ্লাকচুয়েটিং ওয়াইল্ড যেটা চেইন রিঅ্যাকশনে সাহায্য করে। আমাদের লবিতে ডেমো মোডেও চালিয়ে দেখতে পারেন আসল টাকা না দিয়ে। ফোনের ব্রাউজারে খুললেই গ্রিড স্ক্রিনে ফিট হয়ে যায়, আলাদা কিছু করতে হয় না। চট্টগ্রামে বসে ফোনে যেভাবে চালাবেন, ডেস্কটপেও ঠিক তেমনই — অ্যাকাউন্ট আর ব্যালেন্স সব সিঙ্ক থাকে।
Reactoonz-এ ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিচ্ছি।
ক্লাস্টার পে মানে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক একই সিম্বল গ্রিডে পাশাপাশি অবস্থান করলে পে-আউট পাওয়া যায়। প্রচলিত পে-লাইন এখানে নেই — সিম্বলগুলো যেকোনো দিকে সংযুক্ত থাকলেই হয়।
ক্যাসকেডে পে-আউট হওয়ার পর জেতা সিম্বলগুলো মুছে যায় এবং ওপর থেকে নতুন সিম্বল পড়ে। নতুন সিম্বল দিয়ে আবার ক্লাস্টার হলে আরেকটা পে-আউট আসে — একটা রাউন্ডে একাধিকবার।
Gargantoon হলো Reactoonz-এর সবচেয়ে বড় ফিচার। চার্জ মিটার সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে ৩×৩ সাইজের ওয়াইল্ড গ্রিডে নামে, তারপর ধাপে ধাপে ছোট ওয়াইল্ডে ভেঙে নতুন ক্যাসকেড শুরু করে।
Energoon হলো Reactoonz 2-তে যুক্ত একটা বিশেষ ওয়াইল্ড সিম্বল। এটা গ্রিডের ভেতর ঘুরে বেড়ায় এবং ক্যাসকেডের সময় নিজের অবস্থান বদলায় — চেইন রিঅ্যাকশন লম্বা করতে সাহায্য করে।
চার্জ মিটার গ্রিডের পাশে একটা বার। প্রতিটা ক্লাস্টার পে-আউটে এটা ভরতে থাকে। নির্দিষ্ট লেভেলে পৌঁছালে ফিচার ট্রিগার হয় — যেমন ওয়ান-আই, টু-আই, থ্রি-আই এবং শেষে Gargantoon।
Fluctometer হলো Reactoonz 2-র একটা মিটার যেটা ছোট ফিচার দেয় — যেমন ওয়াইল্ড যুক্ত করা বা নির্দিষ্ট সিম্বল মুছে ফেলা। Quantumeter-এর চেয়ে এটা দ্রুত চার্জ হয়।
Quantumeter হলো Reactoonz 2-র বড় ফিচার মিটার। এটা ভরতে সময় বেশি লাগে, কিন্তু এখান থেকে Gargantoon-সহ বড় ফিচারগুলো ট্রিগার হয়। Fluctometer-এর সাথে পাল্লা দিয়ে চলে।
ওয়াইল্ড সিম্বল গ্রিডে যেকোনো সাধারণ সিম্বলের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। ক্লাস্টার তৈরি করতে যেখানে একটি সিম্বল মিসিং সেখানে ওয়াইল্ড বসলে সেটাকে ধরে নেয়।
ডেমো মোডে ভার্চুয়াল ক্রেডিট দিয়ে Reactoonz খেলা যায় — আসল টাকা লাগে না। গেমের ফিচার, গ্রিড ব্যবহার আর মেকানিক্স বুঝতে এটা কাজের। আসল মোডে যেতে এক ক্লিক।
Reactoonz গেমের ভেতরে মেনু আইকনে ট্যাপ করলে পে-টেবিল দেখা যায়। সেখানে কোন সিম্বল কত দেয়, ফিচার কীভাবে কাজ করে — সব বিস্তারিত Play'n GO-র পক্ষ থেকে দেওয়া আছে।
Reactoonz স্লট নিয়ে আপনাদের সবচেয়ে কমন প্রশ্ন আর উত্তর এখানে দিচ্ছি।